পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রাত ও চাঁদ

         ............….রাত ও চাঁদ........ রাত তুমি রোজ কেন চাঁদকে ডাকো না,     তাকে ডেকে কেন তোমার কাছে রাখো না,  তুমি কি তাহলে তাকে ভালো বাসো না,       নাকি ভয় করো তাই রাখতে পারো না,  চাঁদ কি বলে আমি তোমার কাছে রোজ থাকতে পারবো না,      তুমি চাঁদ কে বলে দিও আমি আর কিন্তু ছাড়বো না,  আমি একা এতবড় রাত কাটাতে পারব না,        যেখানে যাবে আমিও যাবো এক মুহূর্তেও ছাড়বো না,  কি মুশকিল বলে আমায় আর তাড়িও না,    আমি শুধু তোমার আর কোনো দিকে তুমি হাত বাড়িও না।                                                              সুধীর কুমার

যত্ন

                         .............যত্ন..........  যত্ন করে রেখেছিলাম বিয়ের সোনা গয়না,    এখন দেখলাম সাসুরের দেওয়া নিজের কখনো হয় না,  একদিন হটাত খুঁজতে গিয়ে খুজেই আর পায় না,      বউয়ের কাছে বসে আমি করতে লাগলাম বাইনা, তখন বউ বললো আমার যখন আমি ব্যাপার বাড়ি যায় না,       একটা করে গয়না গুলো আমায় নিয়ে যেতে হয় না,  এসব শুনে চোটে যাবে সবাই ভাই সঠিক কথা তাই না,               আমি আর তখন থেকে শশুরবাড়ি যায় না,  বলে দিয়েছি রেখে নে তোর বাড়িতেই তোর দেওয়া গয়না,     আমার বাড়ি তুমি থাকো শুধু তোমার কিছু চাই না।                                                     .....সুধীর কুমার.....

তোমায় হারিয়ে.......

                       .............. তোমায় হারিয়ে............  চোখ টা এখনো রয়েছে কিন্তু চোখের মনি টা হারিয়ে ফেলেছি,    যে জায়গা টা কোনোদিন দরকার ছিল না সেটাই পেতে চলেছি,  তুমি হয়তো ভুলে গেছো আমি ভুলি নি যে তোমার কি বলেছি,     তোমার কথা নিজের মনের মধ্যে কতবার যে তুলেছি,  তুমি চলে যাওয়াতে এটাই মনে হয় চোখের মনি হারিয়ে ফেলেছি,       বিশাল একটা অন্ধকার নিয়ে জীবনের এতটা পথ এখনও চলেছি,                                                                   সুধীর কুমার

ভাই ফোঁটা

 .….............. ভাই ফোঁটা..…......…... জীবনের কিছুটা মুহূর্ত থাকতে যদি পারি বোনদের পাশে,    আমার মনে হয় বোনরা এই টুকু আসা করে ভালো বেসে,  আজকে যেতে পারি নি কিন্তু আসবো বলে আমার অপেক্ষায় ছিল বসে,  বিকাল হয়ে গেলাম যেতে পারবো না বলে দিলাম শেষে,  থমকে গেলো আর মণ ছোটো করে নিল তারা এক রাশে,  বোকারা বুঝে না ভাই ফোঁটা আমাদের জীবনে রোজ আসে,  যখনি বাড়ি যাবো থাকবো তোমাদের পাশে আর খুব  কাছে,  কোথাও না কোথাও বেড়াতে নিয়ে যাবো ভালো বেসে।                                   ...…....সুধীর কুমার.........

..….......…....ভাবনা...........

 কবিতা লিখতে লিখতে যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ি,    মনে হয় এত মাথা না খাটিয়ে লেখা টা ছাড়ি,  কিন্তু আবার যখন ঠান্ডা মাথায় ভাবী তখন কি আর পারি,    যায় হোক না কেন লেখাটা কি আমি ছাড়ি,  শান্তি তো কোথাও নেই সে যতই সুন্দর বানাও না বাড়ি,     একদিন ঠিক পরে যায় সব দেখেছো তো আকাশের ঘুড়ি,  তাই যেটা ভাবী করে ফেলি মণ দিয়ে তাড়াতাড়ি,    কে জানে কোন দিন চলে যেতে হবে পরলোক এর বাড়ি।                                                 .....সুধীর কুমার........

মা কালী

কলকাতা ইতিহাসের সাথে যদি কোনো দেব দেবী সবচেয়ে বেশি যোগ থাকে তা হলেন মা কালী।  মনে করা হয় কালীক্ষেত্র থেকেই নাম এসেছে কলিকাতা। আর এই কলকাতার সব থেকে প্রাচীন কালীমন্দির হল কালীঘাটের কালীমন্দির। বলা যায় কলকাতা নগরীর পত্তনের অনেক আগে থেকেই এই স্থানের অস্তিত্ব বজায় ছিল। কালীঘাটের কালীমন্দির হল একান্নটি সতীপীঠ বা শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম এক সতীপীঠ। অর্থাৎ একান্নপীঠের এক পীঠ। পুরাণ অনুযায়ী, এখানে দেবী সতীর ৫১টি দেহখণ্ডের মধ্যে ডান পায়ের কনিষ্ঠা আঙুলটি পড়েছিল। এটি একচল্লিশতম সতীপীঠ। বর্তমান কালীঘাটের যে কালীমন্দিরটি আমরা দর্শন করি সেটি ১৮০৯ সালে তৈরী হলেও কালীঘাট মন্দিরের ইতিহাস অতি প্রাচীন। এই সতীপীঠ বহুযুগ ধরে জঙ্গলে আবর্ত ছিল। জনশ্রুতি এক ব্রাহ্মণ গঙ্গাতীরে সন্ধ্যাবেলার আহ্নিক সেরে ফেরার সময়ে একটি রহস্যময় জ্যোতি উৎস ক সেটি অনুসরণ করে এগিয়ে গিয়ে কালীকুণ্ড নামে পুকুরের পাশে দেবীর মুখায়বের মতন একটি পাথরের টুকরো এবং একটি প্রস্তরীভূত পায়ের আঙুল দেখতে পান। বলা হয় এরপর দেবী তাকে দৈববাণী দেন প্রতিষ্ঠার। কিন্তু এই ঘটনার সাল-তারিখ বা ঘটনার সত্যতা বিষয়ক নথি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২...

যন্ত্রণা

...........................যন্ত্রণা....................  ভালো না লাগছে ছুড়ে ফেলে দাও আমায়,     কোনোভাবে আনন্দিত দেখতে তো পাবো তোমায়,  প্রতিটা মুহূর্তে ভুল বুঝতে হবে না তোমায়,       দীর্ঘ দিন থেকে ভালো ভাবে দেখেছো আমায়,  যেখানে থাকি যেভাবে থাকি জিজ্ঞেস করতে হবে না আমায়,           এত খবর রাখতে কে বলেছে তোমায়,  পৃথিবীর সব থেকে বেশি ভালো বেসেছি তোমায়,              এর পরিবর্তে এত কষ্ট দিচ্ছ আমায়।                                                   সুধীর কুমার

নিষ্পাপ

..................................নিষ্পাপ........................... নিঠুর জীবন তোমার ভগবান কাওকে কষ্টের উপর কষ্ট দাও,        সে তো নিষ্পাপ তবুও তাকে এভাবে কষ্ট দিয়ে কি পাও,  কষ্ট যদি দেওয়ারি  থাকে ওর কষ্ট টা আমাকে দাও,        তুমি তো সর্ব শ্রেষ্ট সবকিছুই সারাক্ষণ দেখতে পাও,  এমন কিছু ঘটিয়ে তুমি মানুষের ভরসা ভেঙে দাও,     জানি না প্রভু নিষ্পাপ দের কষ্ট তে তুমি আদেও কষ্ট পাও,  তার যদি ছোটো কোনো ভুল থাকে তাকে মাফ করে দাও,      তার কষ্ট টা আমায় দিয়ে তাকে সম্পূর্ণ ভালো করে দাও।                                               ......সুধীর কুমার......

রেখো আর থেকো।

...…......…..রেখো আর থেকো............ সুখের সংসার টাকে গুছিয়ে রাখো,      যেমন আছি এভাবে সারাজীবন থেকো,  আমার দেওয়া স্মৃতি গুলো ধরে রেখো,        সব চোখে ভাসবে একটু ভেবে দেখো,  পারলে প্রতিটা ঘটনা ডাইরি তে লিখে রেখো,       যখনি মণ উদাস হবে ডাইরি খুলে পড়ে দেখো,  আমার সাথে এভাবে সারাজীবন সুখে থাকো,       হাত যখন বাড়িয়েছি হাত টা ধরে রেখো।                                 .......সুধীর কুমার..... 

হালকা ছোঁয়া

 .........................হালকা ছোঁয়া.........…........ চোখে চোখে কথা বলে আজ এতদিন পার হয়ে গেলো,  তোমার দেওয়া শুধু হাসি খানি আমার কাছে রয়ে গেলো,  দীর্ঘদিনের তোমাকে দেওয়া মণ আমাকে কি দিয়ে গেলো,  শুধু ভাবনা আর মণ ভরে চিন্তা বাকি সব ধুয়ে গেলো,  জানি না কেন তোমার জন্য একটা জায়গা রয়ে গেলো,  বার বার তোমাকে ফিরে তাকানো আমার ভুল হয়ে গেলো।                                         ........সুধীর কুমার.…..

ছেড়ে যাওয়া প্রেম

                     .....ছেড়ে যাওয়া প্রেম...... কোনো এক সময় দরজা খুলে রাখতাম তোমার জন্য,              এখন অনেক কিছু বার বার ভাবতে হয় খুলার জন্য,  এক সময় আমাকে ভালোবাসা দিয়ে  করেছিলে ধন্য,              আজকে আমার থেকে সরে হাত ধরে নিলে অন্য,  তুমি কি ভাবছো এই কাজটা করে করেছো খুব পূণ্য,         আমি ছাড়া তোমায় কেও করতে পারবে না পরিপূর্ণ।  বার বার ধন্যবাদ জানাবো অকালে ছেড়ে যাওয়ার জন্য,           প্রার্থনা করবো তোমার শুভ হক সকল কাম্য।  ...............................................সুধীর কুমার..............

স্বপ্ন

 ...............................স্বপ্ন..................................... আকাশ পানে চাঁদ লেগেছে ঘুম আসে না রাতে,             ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখি আছি তোমার সাথে, হাত  হাত রেখেছি বুকে তোমার পা রেখেছি গায়ে,         ঠোঁটের উপর ঠোঁট রেখেছি কি সুন্দর সাজায়ে,  স্বপ্ন যদি সত্যে হতো পেতাম তোমায় কাছে,        তোমার কাছে যাওয়ার আশা এখনো তো আছে,  স্বপ্ন কবে সত্যি হবে পাবো তোমায় কাছে,             আছি গো তোমার আশায় আসিবে তুমি কবে।  ................................................সুধীর কুমার...........

মা

 জন্ম দেওয়ার পর থেকে তুমি আগলে রেখেছ আমায়,   কি বলে যে ধন্যবাদ জানাবো সব কম পড়ে যাবে তোমায়,  সকালে ঘুম থেকে না উঠলে কতো আদর করে উঠাও আমায়,  কতো খোসমদ খুঁজি সকাল সকাল তবু রাগ ধরে না তোমায়,  বাসন মজা ঘর মোছা রান্না করা সব সেরে খায়ে দাও এখনো আমায়,  তুমি আমার পৃথিবীর শ্রেষ্ট মাগো প্রতি মুহূর্তে মিস করি তোমায়।  স্নান করানো গরম জলে আর কি কেও পারে গো আমায়,  যতই করিনা আমি তোমার জন্য কম পড়বে তোমায়,                                                  ধন্যবাদ                                                 সুধীর কুমার